এক টুকরো কপূর বদলে দিতে পারে আপনার জীবন
রিম্পা নন্দী
জ্যোতিষ শাস্ত্রে কপূরকে কেবল সুগন্ধি হিসেবেই নয়, বরং নেতিবাচক শক্তি দূর করা এবং সৌভাগ্য ফিরিয়ে আনার অন্যতম শক্তিশালী উপাদান হিসেবেও দেখা হয়। আপনি ঠিকই বলেছেন, সামান্য কিছু কপূরের টোটকাও জীবনের মোড় বদলে দিতে পারে।
১. অর্থকষ্ট দূর ও সঞ্চয় বৃদ্ধি করতে :-
যদি কঠোর পরিশ্রমের পরেও হাতে টাকা না থাকে বা অকারণে খরচ হয়ে যায়, তবে এই টোটকাটি চেষ্টা করতে পারেন।
রাতে ঘুমানোর আগে একটি রুপোর বা স্টিলের বাটিতে কর্পূর ও লবঙ্গ একসঙ্গে জ্বালিয়ে সারা ঘরে তার ধোঁয়া ছড়িয়ে দিন।
বলা হয়, এতে ঘরের নেতিবাচক শক্তি দূর হয় এবং ধনের দেবী লক্ষ্মীর আগমন ঘটে।
২. বিয়ের বাধা কাটাতে :-
বিয়ের কথা বারবার ভেঙে যাচ্ছে বা কোনো কারণে দেরি হচ্ছে?
৩৬টি ফটো কর্পূরের টুকরো এবং ৬টি লবঙ্গ নিন।
এগুলো দিয়ে মা দুর্গার কাছে আরতি করুন বা আগুনে উৎসর্গ করুন।
বিশ্বাস করা হয়, এতে মাঙ্গলিক দোষ বা অন্যান্য গ্রহগত বাধা শিথিল হয়।
৩. পারিবারিক অশান্তি ও কলহ থেকে মুক্তি :-
ঘরে সবসময় ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকলে পরিবেশ শান্ত করতে কর্পূর কার্যকর।
প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় কর্পূর জ্বালিয়ে সারা বাড়িতে প্রদর্শন করুন।
বিশেষ করে কোণাগুলোতে ধোঁয়া দিন, কারণ কোণায় নেতিবাচক শক্তি বেশি জমে থাকে বলে মনে করা হয়।
এতে মানসিক চাপ কমে এবং সদস্যদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকে।
৪. দুঃস্বপ্ন বা ঘুমের সমস্যা দূর করতে :-
বালিশের নিচে এক টুকরো কর্পূর রেখে ঘুমান।
এর তীব্র সুগন্ধ স্নায়ুকে শিথিল করে এবং দুঃস্বপ্ন দূর করতে সাহায্য করে বলে বিশ্বাস করা হয়।
৫. হঠাৎ বিপত্তি থেকে মুক্তি পেতে :-
জীবনের কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান পাচ্ছেন না?
শনিবার কোনো মন্দিরে গিয়ে কর্পূর দান করুন অথবা সেখানে কর্পূর জ্বালিয়ে প্রার্থনা করুন।
এটি ‘রাহু-কেতু’ বা শনির কুপ্রভাব কমাতে সহায়ক বলে মনে করা হয়।


