Monday, June 17, 2024
More

    History of Emergency: ৪৬ বছর আগে ভারতে কোন পরিস্থিতিতে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা? জেনে নিন….

    History of Emergency: আজ থেকে প্রায় ৪৬ বছর আগে, ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন। দেশে এই জরুরি অবস্থা ২১ মাস ধরে অর্থাৎ ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ পর্যন্ত চলেছিল। সেই সময় ২৫ এবং ২৬ জুনের মধ্যরাতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ফখরুদ্দিন আলী আহমদের স্বাক্ষরের মাধ্যমে দেশে প্রথম জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। জরুরি অবস্থা শুরু হওয়ার দিন অর্থাৎ ২৫ জুন ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি অন্ধকার দিন হিসাবে রেকর্ড করা হয়েছে কারণ প্রায় দু’বছর ধরে দেশ দমন-পীড়ার এক নতুন রূপ দেখেছিল যা ক্ষত নিরাময় করেছিল ব্রিটিশ রাজের। বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর এই পদক্ষেপের উপর আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নজর ছিল কারণ তার বাড়িতে একজন আমেরিকান গুপ্তচর উপস্থিত ছিল।

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বাড়িতে ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত উপস্থিত ছিল একজন আমেরিকান গুপ্তচর। এই গুপ্তচর ইন্দিরা গান্ধীর প্রতিটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের খবর আমেরিকাকে দিচ্ছিল। উইকিলিক্স কয়েক বছর আগে আমেরিকান কেবল-এর মাধ্যমে এই কথা জানিয়েছিলেন। উইকিলিক্সের মতে, জরুরি অবস্থা চলাকালীন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বাড়িতে উপস্থিত এই গুপ্তচর তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের উপর নজর রাখত এবং মার্কিন দূতাবাসকে সমস্ত তথ্য সরবরাহ করত। যদিও কেবলগুলিতে এই গুপ্তচরের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

    ১৯৭৫ সালের ২৬ জুন ইন্দিরা গান্ধী দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণার একদিন পরে মার্কিন দূতাবাসের একটি কেবল-এর মাধ্যমে জানানো হয়েছিল, তিনি এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে তার পুত্র সঞ্জয় গান্ধী এবং সেক্রেটারি আর কে ধাওয়ানের দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। কেবল-এ লেখা ছিল, “প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে উপস্থিত ‘ঘনিষ্ঠ’ কেউ নিশ্চিত করেছিলেন যে তাঁরা উভয়ই যেকোনো ভাবে ইন্দিরা গান্ধীকে ক্ষমতায় রাখতে চেয়েছিলেন। ” এখানে উভয়ই অর্থাৎ সঞ্জয় গান্ধী এবং ইন্দিরা গান্ধীর প্রাইভেট সেক্রেটারি আর কে ধাওয়ানকে বোঝানো হয়েছে।

    ধাওয়ান জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন সিএম এস এস রাই ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতেই ইন্দিরা গান্ধীকে জরুরি অবস্থা জারি করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। ইমারজেন্সির পরিকল্পনা অনেক আগেই করা হয়ে গিয়েছিল। ধাওয়ান উল্লেখ করেছিলেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ফখরুদ্দিন আলী আহমেদের জরুরি অবস্থা জারি করার ঘোষণাপত্রে সই করতে কোনো আপত্তি ছিল না। তিনি সঙ্গে সঙ্গে এর জন্য রাজি হয়ে গিয়েছিলেন। এছাড়াও ধাওয়ান জানিয়েছিলেন, জরুরি অবস্থা চলাকালীন কীভাবে মুখ্যমন্ত্রীদের একটি বৈঠক ডাকা হয়েছিল এবং তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আরএসএসের সদস্য এবং বিরোধীদলীয় নেতাদের মধ্যে যাদের গ্রেপ্তার করা উচিত তাদের নামের একটি তালিকা প্রস্তুত করার জন্য। দিল্লিতেও একই রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।

    Rintu Brahma
    Rintu Brahmahttp://www.bonglifeandmore.com
    With over six years of dedicated journalism experience, I've transitioned into the role of Bengali Content Specialist at Inshort medialabs private limited after serving as a reporter at Sangbad Pratidin. Armed with a Master's degree in Mass Communication from The University of Burdwan, I bring a deep understanding of media dynamics to my work. Recently, I've embarked on a new journey with Bonglifeandmore.com, where I aim to leverage my expertise to contribute meaningfully to the platform. My commitment to excellence and continuous learning drives me to excel in every endeavor.

    Related Articles

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

    Stay Connected

    3,541FansLike
    3,210FollowersFollow
    2,141FollowersFollow
    2,034SubscribersSubscribe
    - Advertisement -

    Latest Articles