Friday, February 23, 2024

Hrithik Roshan Birthday: কথা বলার জড়তা কাটিয়ে হৃত্বিক কীভাবে হয়ে উঠলেন বলিউডের হার্টথ্রব অভিনেতা

Hrithik Roshan Birthday: আজ যার কথা বলবো তাঁকে ৮ থেকে ৮০ প্রায় সকলেই চেনেন। সে আর কেউ নন স্বয়ং বলিউডের হার্টথ্রব অভিনেতা হৃত্বিক রোশন (Hrithik Roshan)। ১০ই জানুয়ারি, ১৯৭৪ সালে বোম্বের এক প্রখ্যাত পাঞ্জাবী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন হৃত্বিক। তাঁর বাবা রাকেশ রোশন (Rakesh Roshan), যিনি একজন নামকরা চলচ্চিত্র পরিচালক এবং অভিনেতা। তাঁর মা পিঙ্কি রোশন (Pinky Roshan), যিনি কিনা প্রোডিউসার এবং ডাইরেক্টর জে.ওম প্রকাশের মেয়ে।

হৃত্বিক রোশন এই নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে একজন হ্যান্ডসম ইয়ংম্যানের ছবি। হৃত্বিকের প্রথম হাতেখড়ি হয় তাঁর বাবা রাকেশ রোশনের হাত ধরে। রাকেশ রোশনের ছবি “কাহো না প্যার হে ” (Kaho Naa… Pyaar Hai) তে নতুন হিরোকে পেয়ে দর্শক মুগ্ধ হয়ে যায়। একজন হ্যান্ডসম হিরোকে পেয়ে মুগ্ধ হয় ফিমেল ফ্যানেরাও। যদিও এর আগেও একটা হিন্দি ছবিতে তিনি ছোট একটা রোলে অভিনয় করেছিলেন এবং যার জন্য তিনি পেয়েছিলেন ১০০ টাকা।

জি সিনে অ্যাওয়ার্ড (Zee Cine Awards) থেকে শুরু করে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড (Filmfare Awards) সবেতেই হৃত্বিকের নাম খোদাই করে লেখা আছে। এখনও অবধি তাঁর করা শ্রেষ্ঠ কিছু চরিত্র এবং অভিনয় মানুষের মনে সারাজীবন রয়ে যাবে। তাঁর বিখ্যাত কিছু সিনেমার নাম কাহো না প্যার হে (Kaho Naa… Pyaar Hai), কৃষ (Krrish), ওয়ার (War), ব্যাং ব্যাং (Bang Bang), কাভি খুশি কাভি গাম (Kabhi Khushi Kabhie Gham), ধুম টু (Dhoom 2), স্পেশাল থার্টি (Special 30), জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা (Zindagi Na Milegi Dobara), আগ্নিপথ (Agneepath) ইত্যাদি। কখনও সে রোমান্টিক হিরো, কখনও সে অ্যাংরি ইয়ং মান, আবার কখনও সে একজন সুপার হিরো যে দুষ্টু লোকেদের হাত থেকে পৃথিবী কে বাঁচায়। নিজের অভিনয়ের সিগনেচার স্টাইল এবং ডান্স স্টেপ দেখিয়ে সারা বিশ্বকে জয় করেছেন হৃত্বিক।

হৃত্বিক রোশন নাগরথ (Hrithik Roshan Nagrath) থেকে হৃত্বিক হওয়ার এই জার্নিটা কিন্তু খুব একটা সহজ ছিল না। মানুষের জীবনে ওঠাপড়া লেগেই থাকে। ঠিক সেরকমই হৃত্বিকের জীবনেও অনেক ওঠাপড়া ছিল। ছোটবেলায় ঠিকঠাক কথা বলতে পারতেন না। বহুকষ্টে চিকিৎসকদের চেষ্টায় কথা বলতে পেরেছিলেন তিনি। তাঁর ডান হাতে দুটো বুড়ো আংঙ্গুলের জন্য স্কুলের বন্ধুরা তাঁকে ভয় পেত এবং তাঁকে খেলতেও নিতো না। ২১ বছর বয়সে তাঁর কঠিন একটা অসুখ ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা জানান তিনি আর কোনদিনও এই সিনেমার জগতে আসতে পারবেন না। তিনি কখনও হার মানেননি এবং সেই জন্যই হয়তো আজ সাড়া বিশ্ব তাঁকে চেনে। ইন্ডাস্ট্রির মধ্যেও বিভিন্ন রকম ভাবে অপমানিত হতে হয়েছে তাঁকে। মিটু থেকে শুরু করে নেপোটিজমের তীরও তাঁর দিকে ছোড়া হয়েছিল কিন্তু সবাইকে ভুল প্রমাণিত করে তিনি মাথা উঁচু করে এগিয়ে গিয়েছেন। সব বাধা পেরিয়ে তিনি আজ হৃত্বিক রোশন হতে পেরেছেন।

আরও পড়ুন

Tollywood-এ করোনার থাবা, আক্রান্ত প্রথম সারির তারকারা

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Stay Connected

3,541FansLike
3,210FollowersFollow
2,141FollowersFollow
2,034SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles